করোনাকালে ভালোবাসা কার কেমন

0
5

সোশ্যাল মিডিয়া ও মোবাইল ফোনেই সীমিত থাকবে ভালোবাসা

আমার কাছের মানুষের সঙ্গে সারা বছরই যোগাযোগ থাকে। তবে এ দিনটিতে নিজেরা কোনো পছন্দের জায়গায় গিয়ে গল্প করি, পছন্দের খাবার খাই।

এ দিনে প্রতি বছর ভক্তদের কাছ থেকে শুভেচ্ছা পাই, যা আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আমিও ভক্তদের শুভেচ্ছার বিনিময়ে সাড়া দেই। কথা হয় তাদের সঙ্গে।

আমার ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভালোবাসা দিবসে আমাকে নিয়ে নানা ধরনের ইতিবাচক পোস্ট করেন; যা বেশ উপভোগ করি।

মিডিয়ায় কাজ শুরুর আগে ভালোবাসা দিবস ছিল এক রকম, আর এখন আরেক রকম। তবে ভালোবাসার অনুভূতি কিন্তু একই আছে।

এ দিনে আমি বলব, যারা আপনাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে যাচ্ছে তাদের সেই ভালোবাসার প্রতিদান ভালোবাসা দিয়েই দিতে হবে।

এ ছাড়া সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতে হবে নিজেকেই।

প্রতি বছর আয়োজন করে ভালোবাসা দিবস পালন করলেও করোনার কারণে এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মোবাইল ফোনেই সীমিত থাকবে সবকিছু।

– বাপ্পী চৌধুরী, চিত্রনায়ক

আজ বাবাকে সারপ্রাইজ দেব
প্রতি বছর ভালোবাসা দিবস যেমন ছিল, এবার ঠিক তার উল্টো। কারণ এবার করোনাভাইরাসের কারণে এ দিনে কিছুটা কম আয়োজন হবে।

আমি সেভাবে দিনটি উদযাপন করব না। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই আজ কাটানোর পরিকল্পনা আছে।

বিশেষ করে বাবাকে একটি সারপ্রাইজ দেব। আমাদের গ্রামের বাড়িতে বাবা নতুন বাড়ি নির্মাণ করছেন।

সে কারণে অনেকদিন ধরেই সেখানে তিনি অবস্থান করছেন। বাবাকে না জানিয়েই আজ তার কাছে গিয়ে হাজির হবো।

দিনের পুরোটা সময়ই তাকে সঙ্গ দেব। আসলে বিশেষ দিন ছাড়াও সবসময় ভালোবাসার চর্চা উচিত।

– তানজিন তিশা, অভিনেত্রী

আলাদা কোনো আয়োজন নেই
ভালোবাসা দিবসটি আমি কখনোই আয়োজন করে পালন করি না। ছোটবেলা থেকেই এভাবে বড় হয়েছি।

তাই আলাদা কোনো আয়োজন এবারও নেই। করোনার কারণে বের হওয়ার ইচ্ছা নেই।

পরিবারের সঙ্গে সব সময়ের মতোই আজকের দিনটিও উদযাপনের পরিকল্পনা আছে।

ভালোবাসা দিবস পালন না করলেও এ উপলক্ষ্যে স্টেজ শো নিয়ে আমার ব্যস্ততা আছে।

আসলে ভালোবাসার জন্য আলাদা কোনো দিবসের প্রয়োজন হয় না।

– ইমরান, সংগীতশিল্পী

আম্মুই আমার ভালোবাসা
ভালোবাসা দিবসেই শুধু ভালোবাসার চর্চা করতে হবে, বিষয়টি তেমন নয়। আমি মনে করি, সারা বছরই ভালোবাসার চর্চা করা উচিত।

আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি আমার আম্মুকে।

তাছাড়া বাইরে গিয়ে উৎসব আয়োজনে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও করোনার কারণে সেসব আয়োজনও কম হচ্ছে।

তাই অনেকটা ঘরকেন্দ্রিক থাকার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাসাতেই ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেব।

-অর্চিতা স্পর্শিয়া, অভিনেত্রী

আমার পরিবারের মানুষদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি
বছরের পুরোটা সময়ই আম্মু আমাকে আগলে রাখেন। সেটি কলেজ কিংবা শুটিং যেটাই হোক, সব সময় তিনি আমার ছায়াসঙ্গী।

তাই হয়তো সরাসরি কেউ ভালোবাসার কথা প্রকাশ করার সুযোগ পায় না। মিডিয়ায় কাজ শুরুর আগে তো আমাকে কেউই চিনত না।

বিশেষ করে ছবিতে অভিনয় শুরুর পর থেকে বলা যায় নিয়মিত প্রেমের প্রস্তাব পাই।

তাদের সেসব প্রস্তাবে সাড়া না দিলেও বিষয়টি আমার কাছে খারাপ লাগে না। প্রতি বছর এই দিনে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে বের হতাম।

কিন্তু করোনার কারণে সেই পরিকল্পনাগুলো এবার বাতিল করেছি। কারণ বাসা থেকে বাইরে ঘুরতে যাওয়ার বিষয়ে কারও সম্মতি নেই।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও টিভি দেখেই দিনটি অতিক্রম করার পরিকল্পনা আছে।

খুব কাছের বন্ধুদের সঙ্গে টেলিফোনেই বেশি যোগাযোগ হবে আজ।

তবে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি আমার পরিবারের মানুষদের।

তারাই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

-পূজা চেরী, চিত্রনায়িকা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here